শারীরিক সম্পর্কের পর টাকা কম দেয়ায় ঝগড়া, খুনের পর ডলির লাশ রাখা হয় ট্রাঙ্কে

শেরপুরের শ্রীবরদীতে ট্রাঙ্কের ভেতর থেকে হাত-পা বাঁধা নারীর মরদেহ উদ্ধারের
 

শেরপুরের শ্রীবরদীতে ট্রাঙ্কের ভেতর থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার হওয়া সেই নারীর মরদেহের পরিচয় মিলেছে। ওই নারীকে অনৈতিক কাজের টাকা কম দেয়া নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে হত্যা করা হয় বলে জানায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্ত স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

নিহত ওই নারীর নাম ডলি আক্তার। তিনি নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জের বাসিন্দা। শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পিবিআই পুলিশ সুপার পঙ্কজ দত্ত।

‎তিনি জানান, একটি টেক্সটাইল মিলে চাকরির সুবাদে শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার নিয়ামুর নাহিদ ও তার স্ত্রী রিক্তা মনি গাজীপুরের শ্রীপুর এলাকায় ভাড়া বাড়িতে থাকেন।

‎৩০ এপ্রিল রাতে স্ত্রী বাড়িতে না থাকার সুযোগে অনৈতিক কাজের জন্য ডলি আক্তারকে অর্থের বিনিময়ে নিয়ামুর নাহিদ তার ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। পরে টাকা কম দেয়ায় তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে ডলি আক্তার উত্তেজিত হয়ে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করলে ঘাতক নিয়ামুর নাহিদ তাকে মুখ চেপে ধরেন। এরপরও ডলি শান্ত না হলে গামছা দিয়ে গলায় পেঁচিয়ে ধরলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।